এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি
মৃতদের সঙ্গে যৌনমিলন করেন ভারতের যে হিন্দু সাধুরা
মৃতদের সঙ্গে যৌনমিলন করেন ভারতের যে হিন্দু সাধুরা এরা ধ্যান করেন, খান, ঘুমান এবং শ্মশানে চারিদিকে চিতায় আগুনে পুড়তে থাকা লাশের পাশেই যৌনমিলনে লিপ্ত হন। এরা নগ্ন হয়ে ঘুরে বেড়ান, মানুষের মাংস খান এবং নরকংকালের খুলি থেকে পান করেন। গাঁজায় টান দেন। আর তাদের কেবল জনসমক্ষে দেখা যায় বহুদিন পরপর কেবল কুম্ভমেলার সময়। ভারতের এই হিন্দু সাধুদের বলা হয় অঘোরি। সংস্কৃত ভাষায় অঘোরি মানে হচ্ছে ভীতিকর নয় এমন কিছু। কিন্তু বাস্তবে এই অঘোরিদের জীবনযাপনের কাহিনী মানুষের মধ্যে জাগায় একই সঙ্গে ভীতি, কৌতুহল এবং ঘৃণা । এই সাধুদের নিয়ে গবেষণা করেছেন লন্ডনের স্কুল অব আফ্রিকান এন্ড ওরিয়েন্টাল স্টাডিজের অধ্যাপক জেমস ম্যালিনসন। তিনি সেখানে 'সংস্কৃত এন্ড ক্লাসিকাল ইন্ডিয়ান স্টাডিজ' পড়ান। অঘোরিদের অনেক রীতিনীতি বাইরের লোকজনের কাছে আজব মনে হয়। জেমস ম্যালিনসনের ভাষায়, "অঘোরিদের এসব রীতির মূল কথা হচ্ছে, তারা অ্যাধাত্মিক মুক্তিলাভের মাধ্যমে ঈশ্বরের সঙ্গে এক হতে চান, আর সেজন্যে তারা বিশুদ্ধতার সূত্রের সীমা ছাড়িয়ে যেতে চান।" মিস্টার ম্যালিনসন পড়াশোনা করেছেন ব্রিটেনের খুবই অভিজ...
নিজের মেয়েদের ধর্ষণের দায়ে মাত্র ১০ বছরের জেল লম্পট বাবার !
নিজের মেয়েদের ধর্ষণের দায়ে মাত্র ১০ বছরের জেল লম্পট বাবার ! ভারতে চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ মামলায় এক বাবাকে দশ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। নিজের দুই মেয়েকে ধর্ষণ করার অপরাধে অভিযুক্ত রাম সিংকে এই শাস্তি দেয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় বিচারক প্রতিভা রানী বলেন, তিনি অভিযুক্তের প্রতি কোনা রকম দয়া দেখাননি। তিনি আরো বলেছেন, নিজের মেয়েদের ধর্ষণ করে জঘণ্যতম অপরাধ করেছেন অভিযুক্ত রাম সিং। আদালতের রায়ে নির্যাতিতা বোনদের সাহসের প্রশংসা করে বলা হয়, তারা নিজেদের বাবার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়ায় এই মামলার রায় দেয়া সম্ভব হয়েছে। তবে বাবার অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রথমে সোচ্চার না হওয়ায় বড় বোনের সমালোচনা করেছেন আদালত। যদিও তিন বোনের নিরাপত্তার কথা ভেবেই বাবার নির্যাতন মুখ বুজে সহ্য করেছিল বড় মেয়েটি। স্ত্রী চলে যাওয়ার পর তার চার মেয়েকে নিয়ে একাই থাকতেন রাম সিং। বড় মেয়ের বয়স যখন মাত্র ১৫ বছর তখন প্রথমবারের মত তাকে ধর্ষণ করেন তিনি। এরপর থেকে নিয়মিতই তাকে ধর্ষণ করতে থাকেন। কিন্তু তখন বাবার বিরুদ্ধে কোনো রকম প্রতিবাদ করেনি মেয়েটি। সামাজিক নিরাপত্তা এবং অন্য বোনদের কথা চিন্তা করে সে মুখ বুঝে এই নিপীড়ণ সহ্য করেতে...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন